শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনি সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ।
Bangladesh ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিজ জেলায় বদলি ও স্পাউজ কোটা যুক্ত হচ্ছে এমপিও শিক্ষকদের বদলিতে সরকারি চাকরিজীবীরা কাল মাঠে নামছে পে-স্কেল আদায়ে নাজমুল আলম সোহাগ জেলায় দ্বিতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ আরও বাড়ল গলাচিপায় গণভোট জনসচেতনতায় ওপেন এয়ার কনসার্ট: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস দিয়ে জালিয়াতি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোচিং বাণিজ্য বন্ধে জেলা প্রশাসকের দশ নির্দেশনা কুলাউড়ার নবীন চন্দ্র সরকারি ম‌ডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. সেলিম আহমদ কুলাউড়া উপ‌জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত ঢাবি ও জাবিতে কুলাউড়ার তাজুলের বাজিমাত: দেশসেরা মেধাতালিকায় শীর্ষস্থানে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনি সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনি সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ।
    মো: আরিফুজ্জামান, নিউজ ডেস্ক
    দেশে নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী বা রাজনৈতিক সমাবেশ-সভা এবং প্রচার-প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। রিটার্নিং অফিসারের পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
    ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক বরাবর এক জরুরি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ প্রেক্ষিতে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে।
    কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে লক্ষ্য করেছে যে কোনো কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষের ব্যক্তিরা সেমিনার, সংবর্ধনা, যুব সমাবেশ ইত্যাদির নামে ভোটারদের জমায়েত করে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করছেন। এক্ষেত্রে তারা ভেন্যু হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বা হলরুম ব্যবহার করছেন। অনেক ক্ষেত্রে এ ধরনের সমাবেশের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়াই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা স্থানীয়ভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছেন। কর্তৃপক্ষ এটিকে নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে চিহ্নিত করেছেন।
    এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিঠিতে সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে, রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাবেশের অনুমতি না দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্বাচনি বা যেকোনো সভা, সমাবেশ, প্রচার প্রচারণার কাজে ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে।
    এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম না হয়। নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।
    এই পদক্ষেপ নির্বাচনী পরিবেশ নির্মল রাখতে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরপেক্ষ ও নির্বাচনি প্রভাবমুক্ত রাখতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনি সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ।

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনি সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ।
    মো: আরিফুজ্জামান, নিউজ ডেস্ক
    দেশে নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী বা রাজনৈতিক সমাবেশ-সভা এবং প্রচার-প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। রিটার্নিং অফিসারের পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
    ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক বরাবর এক জরুরি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ প্রেক্ষিতে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে।
    কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে লক্ষ্য করেছে যে কোনো কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষের ব্যক্তিরা সেমিনার, সংবর্ধনা, যুব সমাবেশ ইত্যাদির নামে ভোটারদের জমায়েত করে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করছেন। এক্ষেত্রে তারা ভেন্যু হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বা হলরুম ব্যবহার করছেন। অনেক ক্ষেত্রে এ ধরনের সমাবেশের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়াই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা স্থানীয়ভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছেন। কর্তৃপক্ষ এটিকে নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে চিহ্নিত করেছেন।
    এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিঠিতে সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে, রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাবেশের অনুমতি না দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্বাচনি বা যেকোনো সভা, সমাবেশ, প্রচার প্রচারণার কাজে ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে।
    এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম না হয়। নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।
    এই পদক্ষেপ নির্বাচনী পরিবেশ নির্মল রাখতে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরপেক্ষ ও নির্বাচনি প্রভাবমুক্ত রাখতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।